نبذة مختصرة : বাংলাদেশ বিশ্বের সপ্তম জনবহুল দেশ এবং ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এদেশের সংক্রামক ব্যাধির ক্রমবর্ধমান বোঝা দ্রুত নগরায়ণের জন্য দায়ী হতে পারে এবং দেশের প্রায় ৫০% বস্তিবাসী ঢাকা বিভাগে বাস করেন। ২০১৭ সালে, আইইডিসিআর রোগের প্রাদুর্ভাবের ২৬ টি ঘটনা তদন্ত করেছে। এই বিশ্বব্যাপী সঙ্কটের মাঝে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ২৫টি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলির মধ্যে বাংলাদেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে এখন বেশিরভাগ মানুষ রোগটি সম্পর্কে সচেতন, যার অর্থ তারা জানেন যে এই রোগটি যে কারও হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। এরই মাঝে ২৫ এপ্রিল নাগাদ কোভিড-19 এর উপস্থিতি ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩টিতে নিশ্চিত হয়ে গেছে। প্রকোপজনিত উদ্বেগের মধ্যেও লকডাউন চলাকালীন পোশাক শ্রমিকরা তাদের পারিশ্রমিকের দাবিতে রাস্তায় বেরিয়ে এসেছিলেন। এছাড়াও রাজধানীর অভ্যন্তরে ও বাইরে, মুদ্রণ এবং অনলাইন মিডিয়া, উভয় মাধ্যমেই জনসাধারণের অপ্রয়োজনীয় জমায়েত করা, আড্ডা দেয়া, উদ্দেশ্য ছাড়াই ঘোরাঘুরি করা ইত্যাদির মতো আরও কয়েকটি লকডাউন-লঙ্ঘনের খবর পাওয়া যায়। কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের ঠিক আগে আমরা আশাবাদী ছিলাম যে কোনোভাবে অর্থনৈতিক সূচকগুলির হতাশাজনক প্রবণতা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারবো। কিন্তু সমস্ত আশা ধুলিস্যাত করে দিয়ে পোশাক খাতে তৈরি পণ্যের জাতীয় ও বিশ্বব্যাপী চাহিদা হ্রাসের কারণে সৃষ্ট বেকারত্ব এই অর্থনীতিকে আরও গভীর ভাবে গ্রাস করেছে। এর সাথে যোগ হয়েছে প্রবাসী শ্রমিকদের দেশে ফিরে আসা। যাইহোক, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সুরক্ষার দিক থেকে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা এই মহামারী পরিস্তিতিকে অনেকখানি পরিবর্তন করতে পারি । ; Link: https://www.ajsarabela.com/2020/06/01/কোভিড-১৯-এবং-২০-টি-সমাধান.html
No Comments.